প্রিন্ট এর তারিখঃ Jan 15, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Dec 22, 2025 ইং
টাঙ্গাইলের দুইটি আসনে একসঙ্গে সহোদরের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইলের দুটি আসনে বিএনপি মনোনীত দুই প্রার্থী একসঙ্গে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনের বিএনপি প্রার্থী আব্দুস সালাম পিন্টু এবং টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে তার ছোট ভাই সুলতান সালাউদ্দিন টুকু মনোনয়নপত্র নেন। গতকাল রবিবার দুপুরে টাঙ্গাইল জেলা নির্বাচন অফিসারের কার্যালয় থেকে তারা নিজ নিজ মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন।
এ সময় তাদের সঙ্গে টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সভাপতি মো. হাসানুজ্জামিল শাহীন, জেলা ছাত্রদল ও যুবদলের সাবেক সভাপতি আহমেদুল হক সাতিল, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক কাজী শফিকুর রহমান লিটন, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. আজগর আলী, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক খন্দকার রাশেদুল আলম রাশেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
মনোনয়নপত্র সংগ্রহ শেষে বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু সাংবাদিকদের বলেন, আচরণবিধি মেনে আমরা মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছি। আমার নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও অভিভাবক দেশনায়ক তারেক রহমান আমার ওপর যে গুরুদায়িত্ব অর্পণ করেছেন- তা পালনে আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, কিশোর গ্যাং ও মাদকমুক্ত একটি নিরাপদ টাঙ্গাইল গড়ে তুলতে চাই। সকলকে সঙ্গে নিয়ে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির মাধ্যমে আগামির পথচলা নিশ্চিত করতে চাই।
প্রকাশ, টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম পিন্টু ১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-২ (গোপালপু-ভূঞাপুর) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০১ সালে তিনি শিক্ষা উপমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে ২০০৩ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত শিল্প মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যানের দায়িত্বে রয়েছেন। আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে তিনি দীর্ঘ ১৭ বছর কারাভোগ করেন।
অন্যদিকে বিএনপির মনোনয়ন পেয়ে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এবারই প্রথম টাঙ্গাইল-৫(সদর) আসন থেকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে যাচ্ছেন। বর্তমানে তিনি কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রচার সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। রাজনৈতিক জীবনে আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকার কারণে তাকে একাধিকবার মামলা ও গ্রেপ্তার হতে হয়েছে। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু প্রায় ৩৫০টি হয়রানিমূলক মামলার শিকার হন এবং ১২ দফা কারাভোগ করেন। এ সময় তিনি প্রায় পাঁচ বছর কারাগারে ছিলেন এবং টানা ৪৬দিন রিমান্ডেও ছিলেন।
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃdailyprogotiralo.com